salimkhanrana Cover Image
salimkhanrana Profile Picture
salimkhanrana
@salimkhanrana
861 people like this

#সরকারের প্রনোদনা ৭২,৭৫০ কোটি টাকা যদি ১৮ কোটি জনগনের মাঝে সমান ভাগে ভাগ করে বন্টন করা হয় তাহলে জনপ্রতি পাওয়ার কথা ৪০৪১.৬৬ টাকা।
এখন দেখা যাক জনগন কত পায় ?

#ও_হ্যা! আরেকটা হিসেব করা যাক!

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ।

ধন্যবাদ মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের মোট ১৮ কোটি জনগন।

প্রতি পরিবারের সদস্য সংখ্যা গড়ে তিনজন ধরা হলেও দেশে মোট পরিবারের সংখ্যা
(১৮÷৩)=৬ কোটি।

প্রত্যেক পরিবারের ১ মাসের খোরাক........

৫০ কেজি চাল = ১৫০০ টাকা
৫ কেজি ডাল = ৩০০ টাকা
২.৫কেজি তেল= ২০০ টাকা
১০ কেজি আলু= ২০০ টাকা
৩ কেজি পিয়াজ= ১০০ টাকা
নগদ-প্রদান
(সবজির জন্য)= ৭০০ টাকা
___________________________
সর্বমোট = ৩০০০ টাকা

৬ কোটি পরিবার x ৩০০০ টাকা= ১৮,০০০ কোটি টাকা খরচ হবে।
রয়ে যাবে আরো ৫৪ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা যা দিয়ে অন্য সেক্টর গুলো সামলানো যাবে।

প্রত্যেক পরিবারের ১ মাসের খোরাক দিয়ে সমস্ত বাংলাদেশ ৩০ দিনের জন্য লক ডাউন করে দেন।
কোন পাতি নেতাকে এই দায়িত্ব না দিয়ে সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে, সেনাবাহিনী,পুলিশ,নৌবাহিনী,বর্ডার গার্ড, RAB সবাইকে কাজে লাগান ত্রাণ বিতরণে ও লক ডাউনে।

৩০ দিন বাংলাদেশকে গৃহবন্দি রাখেন দেশকে ৩০ বছর পিছিয়ে পড়া থেকে বাঁচান।

image

করোনা কতদিন থাকতে পারে জানালেন চীনের প্রধান বিশেষজ্ঞ
আন্তর্জাতিক সময় ডেস্ক
আপডেট
২৩-০৩-২০২০, ১১:৫৩
করোনা কতদিন থাকতে পারে জানালেন চীনের প্রধান বিশেষজ্ঞ
📷
ঝাং ওয়েনহং জানান, উত্তর ইতালির মতো ইউরোপের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলো ইতোমধ্যে লকডাউন, কারফিউ এবং স্কুল বন্ধের মতো কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে বিশ্বব্যাপী একযোগে উদ্যোগ নিতে হবে। না হলে যেসব দেশ এখন কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে তাদের আবারও সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকতে হবে।

তিনি বলেন, অনেক দেশের সরকার এখন সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এটা ভালো একটি লক্ষণ। যখন সবাই একসঙ্গে আরও জোরদার উদ্যোগ নেবে, তখন এই মহামারিও নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।আরও পড়ুন
এবার করোনায় চিকিৎসক আক্রান্তএই ওষুধে ৬ দিনেই করোনা নিরাময়!এশিয়ার দেশ চীন থেকে করোনা শুরু হলেও এর আঘাতে এখন বিপর্যন্ত ইউরোপ-আরেমিকাসহ গোটা বিশ্ব। ইউরোপের একাধিক উন্নত দেশে প্রতিদিনই মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। ইতালি, ফ্রান্স, স্পেইন এখন অসহায় হয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইরানেও দীর্ঘায়িত হচ্ছে মৃত্যুর সারি।তবে ইউরোপ সহসাই এ বিপর্যয় থেকে মুক্তি পাচ্ছে না বলে আশঙ্কা করেছে চীন। ইউরোপকে কমপক্ষে আরও দুই বছর এ ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন চীনের বিশেষজ্ঞ ঝাং ওয়েনহং।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট রোববার (২২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করেছে। পত্রিকাটি বলছে, ঝাং চীনের কোভিড-১৯ ক্লিনিকাল বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান। জার্মানির চীনা কনস্যুলেটে আয়োজিত ভিডিও কনফারেন্সে এ কথা বলেন তিনি।

ঝাং ওয়েনহং বলেন, ভাইরাস আসবে, আবারও চলেও যাবে। তবে ইউরোপ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে দুই বছরের বেশি সময় লাগতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কম সময়ে এর সমাধান করতে হলে চীনের মতো অনেক কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। চীন নববর্ষের ছুটি বাড়িয়ে শহরগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সবকিছুই বন্ধ ছিল চীনে।

তিনি বলেন, যদি সারা বিশ্বকে চার সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখা সম্ভব হয়, তাহলে এই মহামারি বন্ধ করা যাবে। কিন্তু সারাবিশ্ব বন্ধ রাখার বিষয়টি আমি কল্পনাও করতে পারি না। এমনকি জার্মানি বা ইউরোপও নয়।
#copy from somoi news bangladesh

কাউকে অনেক ভালোবেসে যাচ্ছেন কিন্তু ভালোবাসা পাচ্ছেন না?
অথবা একতরফা ভালোবাসায় আটকে আছেন?
হ্যাঁ তবে আপনাকেই বলছি,
প্রিয় মানুষ্টির মনে যত ভালোবাসা লুকিয়ে থাকুক না কেনো,
কেউ ভালোবাসা দিতে না চায়লে কখনো তা জোর করে আদায় করা যায় না।
আবার এটা গোলামী করে বা খেটে পাওয়ার বস্তও নয়,
কারন ভালোবাসা জিনিসটাতো আসে মন থেকে সেখানে কারো প্রভাব খাটে না।
শুনেছি মানুষের মন বদলাতে পারে সেকেন্ডের ব্যবধানে আর যে মানুষের কাছ থেকে ভালোবাসা প্রত্যাশা করেন সে নিজেও তার মনের উপর আধিপত্য করতে পারে নাহ।
মাঝে মাঝে সে নিজেও বুঝতে পারে না যে আসলে তার মনটা চায় কি!
ভালোবাসতে কোনো সমতা নেই,
যত চেষ্টায় করুন,যত ভালোবাসুন,
তার তার ভালো থাকার জন্য যতই স্যাক্রিফাইস করুন না কেন,
আপনি তাকে শতভাগ ভালোবেসেও বিন্দু মাত্র ভালোবাসা আশা করতে পারেন না।
কারন অনেক সময় দেখা যায় কেউ ভালো না বাসলেও অনেক ভালোবাসা পেয়ে যায়,
আবার কেউ খুব বেশি ভালোবাসলেও ভালোবাসা পায় না।
তাই ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসা প্রত্যাশা করাটা বোকামি,
আমি জানি ভালোবেসে ভালোবাসা না পাওয়াটা কতটা কষ্টের 👌
প্রতিনিয়ত তার ইগনোর, তার ভাব, তার অবহেলা
আপনার প্রতি তার কোনো ফিলিংসের ছিটেফোঁটাও না থাকা আপনাকে খুব কষ্ট দিলেও কিছু করার থাকে না।
অনেক সময় ভালোবাসা প্রমান করতে অথবা এর গভীরতা বুঝাতে আমরা কত কি না করি,
কত কিছু শিখে ফেলি, নিজেকে বদলিয়ে ফেলি,
এমন কি কেউ কেউ আবার নিজের জীবনও দিয়ে দেয়,
কিন্তু জোর করে ভালোবাসা পাওয়া যায়না।
হ্যাঁ পাওয়া যায় তবে ভালবাসা নয়,
বড়জোড় সহানুভূতি পাওয়া যায়।
আজ যাকে আপনি সারাহ্মন ভালোবাসি ভালোবাসি বলে যাচ্ছেন,
সে হয়তো সহানুভূতি,ভয়, টাইমপাস আর কনফিউশানে থাকে আপনার ভালবাসা নিয়ে।
এখন আপনার মতে ভালোবাসাটা না পেলে করনীয়টা কি???
তার সামনে গিয়ে ভালোবাসি ভালোবাসি বলে চিৎকার করবেন?
এটা ওটা গিফ্ট করে ইম্প্রেস করার চেষ্টা করবেন?
নাহ একদম নাহ,,
মাঝে মাঝে ভালোবাসার সম্মানের খাতিরেই ভালোবাসার কথা বা ফিলিংস গুলো কিছুটা গোপন রাখতে হয়।
তা না হলে প্রিয় মানুষটি বিরক্ত হয়ে যায়
আর আপনার ভালোবাসা হয়ে যায় সস্তা।
যদিও আমরা সস্তা বানিয়ে ফেলি বলেই তারা ভালবাসা না দিয়ে খালি বস্তা হাতে ধরিয়ে দেয়।
আপনার চাওয়া-পাওয়ার কোনো ইন্টারেস্ট তার মাঝে থাকে না,
আমরা সহজে কিছু পেলে তার মর্ম বুঝি না, এক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম নয়।
এখন বাজারে তো সেই জিনিস টাই বেশি চলে যেই জিনিস দূর্লভ,
সস্তা জিনিস কি বাজারে চলে...?
সব সময় ভালোবাসি ভালোবাসি বললেও ভালোবাসার মর্ম কই যাবে?
আমি অনেক ভালোবাসি তুমি ভালোবাসো না কেন, প্লিজ একটু ভালোবাসো।
এসব বলে নিজেকে একটু ভিখারির মতো মনে হয় অনেক সময়।
আচ্ছা ভিখারিকে কেউ ভালোবাসা দান করে?
নাকি সহানুভূতি জায়গা থেকে সাহায্য করে?
লোকে বলে ভালোবাসা নাকি রুপকথার গল্পের মতো অনুভূতি দেয়,
আর সেই জায়গায় ভিখারির অনুভূতি!
কেমন যেনো বেমানান নাহ?
তাই এখন সব বাদ দিয়ে যে কাজ টা করা উচিত-
kill Expectations From Other Side...
নিজের সম্মান নিজে বুঝতে শিখুন।
ভালোবাসেন তাকেই যে আপনাকে ভালোবাসে
আর আসলেই কি আপনার জীবনে এমন কেউ আছে যাকে পেলে আপনি সত্যি খুব খুশিবোধ মনে করবেন?
যদি তাকে তাকে ক্লিয়ারলি সব খুলে বলুন,
যদি না রাজী না হয় সরে যাওয়ার চেষ্টা করুন
অন্যান্যদের মত ভালবাসাকে তার কাছে সস্তা বানিয়ে কষ্টকে নিজের সাথে জড়াবেন না।
কেউ ভুল করেছে বা করে বলে আপনি তা করবেন না।
এই কষ্ট টা আসলেই আপনার সবকিছু বিনষ্ট করে দিতে পারে খুব কম সময়ে।
তাই আগেই সাবধান থাকবেন নিজেকে বিলিয়ে দিয়েন না।
এই যুগে ভালবাসার ক্ষমতার চেয়ে টাকার ক্ষমতা অনেক বেশি।
আপনার বাবার বা আপনার পকেটে বা ব্যাংক ব্যালেন্সে ভাল একাউন্ট থাকলে,
ভালবাসা চাওয়ার আগেই আপনার দরজায় কড়া নাড়বে আর বাপ দাদা বা আপনার একাউন্ট না থাকলে
যতই গভীরভাবে ভালবাসুন না কেন,
হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিবে যেকোনো মেয়ে।
পকেটে মাল নিয়ে ভালবাসুন ভালবাসার সফলতা পাবেন।
শুধু মেয়ে নয় মেয়ের বাপ-দাদারও কোনো আপত্তি থাকবে না।

ধন্যবাদান্তে skr

image

সচেতনতা মূলক পোষ্ট :
এশিয়া মহাদেশ ছাড়িয়ে করোনাভাইরাস এখন ইউরোপের ইতালি শহরে চারপাশে ছড়িয়ে গেছে।
আমাদের বাংলাদেশে এই করোনাভাইরাস যদি একবার আসে,, তখন মানুষ যে একটাও জীবিত থাকবে না।
আশা করা যায় ১৫ দিনে বাংলাদেশের অর্ধেকের বেশী মানুষ মরে ফাঁকা হয়ে যাবে।
বিদেশী দেশ তাদের কতো শত আধুনিক যন্ত্রপাতি, মেডিসিন, তথ্য প্রযুক্তি থাকার পরও যখন করোনাভাইরাস মোকাবেলা করতে পারছেনা। তখন আমরা তাদের কাছে কোনো কিছুই না,
কারণ আমাদের দেশে ঘন বসতী পূর্ণ এলাকা। আমাদের দেশ যেখানে ডেঙ্গুজ্বরের মেডিসিন থাকার পরও মোকাবেলা করতে হিমশিম খায়। সেখানে যে বিনা মেডিসিনে করোনাভাইরাসের ক টাও মোকাবেলা করতে পারবেনা তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
তাতে আমরা সবাই কম বেশী অবগত আছি।
চীনদেশে হাজার হাজার মানুষ মরছে। আমাদের দেশে যদি এ ভাইরাস চলে আসে তখন কি হবে?
এটা এমন এক ভাইরাস যেখানে মানুষ মারা গেলে তার লাশটা ধোয়াতে বা জানাজা করতে যে কেউ এগিয়ে আসবে না, এ কথা ভাবতেই বুকের মাঝে মোচর দেয়।
কারণ কেউ জেনে বুঝে নিজের মৃত্যু দিকে এগিয়ে যাবে না।
আল্লাহ তুমি আমাদের দেশ আর দেশের বাহিরের সকল মানুষ কে এই প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করো।
আল্লাহর দয়া এবং রহমত ছাড়া কোনো কিছুই এ থেকে রক্ষা করতে পারেনা। তাই আসুন,
মহান আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করি এবং পানাহ চাই!

image

"যে দেশে যে যুগে টাকায় মিলে নারী,
প্রেমিকাও খুলে শাড়ি;
সে দেশে কেন শুনতে হবে ধর্ষিতার আহাজারি!"

ধর্ষণ করে কেন আপনার শারিরিক চাহিদা মেটাতে হবে? পতিতালয়ে যান, শহরের আবাসিক হোটেলগুলোতে যান। শহরগুলোর প্রসিদ্ধ মোড়ে মোড়ে পর্দানশীন অনিবন্ধিত পতিতার অভাব নেই, ওদের চোখে তাকান।
ওদেরও চাহিদা মিটলো, আপনিও স্বাচ্ছ্যন্দে খায়েশ মিটালেন। জোর জবরদস্তিতা নেই।

আচ্ছা, ধর্ষণ করে কি যৌনতৃপ্তি মিটে? আমারতো মনে হয়না। যেকোনো একপক্ষের কিঞ্চিত অনিচ্ছাতেই মাটি হয়ে যায় জৈবিক ইচ্ছেটা। সেখানে হাত পা চেপে, জামা কাপড় ছিঁড়ে হায়েনার থাবা দিয়ে কি আনন্দটা পায় তারা? কেবল বীর্য নিঃসরণ যদি যৌনসুখ হয়ে থাকে তবে মাস্টারবেশনেই জীবন পার হয়ে যেতো, জীবনে নারীর জন্য পুরুষ কিংবা পুরুষের জন্য নারীর সান্নিধ্য দরকার ছিলোনা।

image