যে চিঠি চোঁখ ভিঁজিয়ে দেয়☀ আজ তোমায় অনেক বেশি মনে পড়ছে।জানো আজ খুব ভোরে যখন চোঁখ খুলতেই সূর্যটাকে দেখলাম,তখন কেন যেন মনে হলো সূর্যটাতে তোমার মুখ ভেসে উঠেছে।সত্যিই বেশ কিছুদিন হলো তোমাকে অনেক বেশি মনে পড়ছে। বিকেলের এলোমেলো বাতাস আর অঝোর বৃষ্টি সবার মনে দোলা দিয়ে যায়।কিন্তু জানো তুমি চলে যাওয়ার পর থেকে ভোরের হিমেল হাওয়া,বাগানের ফুল,পাখিদের গান,বিকেলের মিষ্টি রোদ কিংবা রক্তিম গোধূলী...কিছুই আর ভালো লাগেনা।মোটেও সহ্য হয়না এগুলো! আর বৃষ্টি?বৃষ্টি আর কিভাবে ভালো লাগবে বলো! তুমি চলে যাওয়ার পর থেকে তো এই দুটি চোঁখ হয়ে গেছে আকাশ।যে আকাশ থেকে অঝোর ধারায় বৃষ্টি ঝরে


সকাল-সন্ধ্যা।তুমি কি তা দেখতে পাও? আজ সংসদ ভবনের রাস্তা ধরে হেঁটে যাচ্ছিলাম।যে রাস্তায় তোমার হাত ধরে হেঁটেছি অসংখ্যবার। জানো আমার আর তোমার মতো আরো অনেকেই এখন এই রাস্তায় হাত ধরাধরি করে হেঁটে চলে।কেন আমাকে এভাবে কষ্ট দিলে? কি দোষ করেছিলাম আমি? কেন আমাকে প্রতিনিয়ত কাঁদতে হয় তোমাকে ভেবে? আজকের রৌদ্রমুখর দিনটা হঠাত্‍ করেই শেষ হলো বৃষ্টি দিয়ে।যে বৃষ্টি তুমি অসম্ভব ভালবাসতে। শেষ বিকেলের আচমকা বৃষ্টি আজ ভিজিয়ে দিয়েছে আমার সমস্ত শরীর। কিন্তু জানো,আমার চোঁখ ভেজাতে পারেনি। তুমিই না বলতে "রাস্তাঘাটে কান্নাকাটি করে বাচ্চা ছেলেরা"! আমি তো আর বাচ্চা ছেলে নই,তাই রাস্তায় কাঁদতেও লজ্জা লাগে।যে কারনে সারারাত লুকিয়ে কাঁদি তোমাকে ভেবে। বিকেলে ঝুম বৃষ্টি, গোধূলী বেলায় লাল রঙে ছেয়ে গিয়েছিল আকাশ,আর সন্ধ্যার পর দেখলাম আকাশে মেঘের সাথে পূর্নিমার চাঁদের লুকোচুরি খেলা।প্রকৃতি আজ তোমার ভালো লাগার সবকিছু তুলে ধরেছে,শুধু তুমি আজ আমার পাশে নেই! জানো মাঝে মাঝেই ভাবি তোমাকে ভেবে আর কাঁদবো না। কিন্তু তোমার স্মৃতিগুলো আর এই নিষ্ঠুর প্রকৃতি বারবার তোমার কথা মনে করিয়ে দেয়।তখন আর নিজেকে সামলাতে পারিনা,অঝোর ধারায় কাঁদতে থাকি একাএকা। জানো এখন রাত ২টা.... ২ ঘন্টা আগে সূচনা হয়েছে আরেকটা নতুন দিনের,১৯শে মে।দুবছর আগের এই দিনে সম্পর্কের ইতি টেনে আমাকে পাহাড়সম কষ্ট দিয়ে তুমি চলে গিয়েছো cry emoticon জানো তারপর থেকে আজ পর্যন্ত এই দুচোখে ঘুম নেই।মাঝে মাঝে রাত জেগে কাঁদতে থাকি।আর আমার সঙ্গী হয়ে মাঝে মাঝে কাঁদে ঐ বিশাল আকাশটা। ১২টার পর যখন তোমাকে ভেবে কাঁদছিলাম ঠিক তখনই একবুক আহাজারি নিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো আকাশটা।ঝুম বৃষ্টি শুরু হলো আবারো।ঐ আকাশটাও কি আমার মতো একা! খোলা আকাশ আর আমি একসাথে কাঁদবো বলে ছুটে গিয়েছিলাম ছাঁদে। ছাঁদে আজ বিশাল আকাশটার সাথে কাঁধে কাঁধ রেখে কেঁদেছি আমি। আমার চোঁখ থেকে ঝরা অশ্রুকণা বৃষ্টির জলের সাথে মিশে ছাঁদ বেয়ে গড়িয়ে পড়েছে মাটিতে। আমাকে একবুক কষ্ট দিয়ে যে মাটিতে অনেক সুখে ঘুমিয়ে আছো তুমি cry emoticon কেন আমাকে এভাবে একা রেখে চলে গিয়েছিলে সেদিন?তবে কেন ভালোবেসেছিল? কেন বলেছিলে সারাজীবন একসাথে থাকবে cry emoticon তোমার কিছু সুখোস্মৃতি নিয়ে আজো বেঁচে আছি লাশ হয়ে।মাঝে মাঝে তাঁরাদের সাথে এখন কথা বলি।জানো তাঁরারা বলে তুমি নাকি আবার ফিরে আসবে!জানো তুমিহীনা জীবনটা আজ ধ্বংসের একদম কাছাকাছি। নিজেকে আর কারো কাছে প্রমাণ করতেও ইচ্ছে করেনা।জানো মা কি বলে? মা বলে আমি নাকি 'একটা মরা মেয়ে'র জন্য নিজের জীবনটা নষ্ট করে ফেলছি! আচ্ছা তুমিই বলো ভালোবাসা কখনো মরে? জানো তোমাকে এখনো অনেক ভালোবাসি। অনেকটা পাগলের মত cry emoticon যেদিন তুমি শেষ বিদায়ের সাঁজে সেঁজেছিলে সেদিন তোমাকে অসম্ভব সুন্দর লাগছিল। কিন্তু সবাই আমার সাথে প্রচন্ড খারাপ ব্যবহার করেছিল সেদিন। কেউ আমাকে তোমার মুখটা দেখতে দিচ্ছিলনা।শুধু তারা বলছিল মৃত মহিলার মুখ নাকি পরপুরুষকে দেখানো উচিত না।তুমিই বলো আমি কি পরপুরুষ! ৫ ঘন্টা আগে খাটিয়ায় ঘুমিয়ে থাকা মেয়েটির সবচেয়ে আপন যে এই ছেলেটাই ছিল,তা বলার মতো সেদিন কোন লোকই ছিলনা! অনেক কাকুতি মিনতির পর দেখেছিলাম তোমায়।তোমার ঠোঁটের কোণে আগের সেই চিরচেনা হাসিটা সেদিনও ছিল।বারবার কেন যেন মনে হচ্ছিল তুমি চোঁখ খুলে তাকাবে,আমাকে কাছে ডেকে জরিয়ে ধরবে:'( সেদিনের তুমি অনেক নিষ্ঠুর ছিলে। পাগলের মতো সেদিন অপেক্ষা করেছিলাম তোমার ডাকের আশায়।ভুলেই গিয়েছিলাম যে ওপারে চলে গেলে কেউ আর ফিরে আসেনা! জানো এখনো মাঝে মাঝে মনে হয় আমি যেন ঘুমিয়ে আছি,আর যা কিছু হচ্ছে এগুলো সব দুঃস্বপ্ন। খুব ইচ্ছে হয় তোমার কাছে যাওয়ার। তোমার পাশে শুয়ে থাকবো আর রাত-দিন দুজনে গল্প করবো। আমি কিন্তু আর মোটেই ঝগড়া করবো না cry emoticon জানো এ দুবছরে আমি অনেক ভালো হয়ে গেছি। কাউকে আর কষ্ট দেইনা। কেননা কষ্ট কি, তা যে এখন আমি বুঝতে শিখেছি। আমার থিতুনির পোড়া দাগ নিয়ে তোমার মতো অন্য কেউ আর অভিযোগ করেনা, তেমনি টোলপড়া গালের হাসি দেখতে কেউ আর আমাকে অকারণে হাসায়না! জানো আমার মুখে তোমার অভিযোগ আর পছন্দের অংশ দুটোই আজ কালো দাঁড়িতে ঢেকে গেছে। দুবছর হয়ে গেল। অথচ মনে হয় এইতো সেদিন তোমাকে চলে যেতে দেখলাম।এই দুবছরে স্বপ্নে অসংখ্যবার দেখেছি তোমায়। কখনো মুখভরা হাসি নিয়ে এসেছো,আবার কখনো মুখভার করে। কিন্তু যখনই স্পর্শ করতে চেয়েছি,তখনই চলে গেছ আমাকে কাঁদিয়ে cry emoticon কেন এভাবে এখনো কষ্ট দাও আমায়! আমি সত্যিই আর সঁইতে পারিনা। লোকে বলে মানুষ নাকি মৃত্যুর পূর্বে তার প্রিয় মৃতমানুষ গুলোকে স্বপ্নে দেখতে পায়। আমি প্রায়ই তোমাকে স্বপ্নে দেখি। কই? আমিতো মরি না! তোমার কাছে খুব যেতে ইচ্ছে করে, খুউউউউউব.... তোমাকে পেয়েও ধরে রাখতে পারলামনা। নিজেকে আমার খুব ব্যর্থ মনে হয়।আমরা দুজন দুজনাকে চাইলেও বিধাতা আমাদের চায়নি। বিধাতার এ চাওয়াটা কি শুধুই দুনিয়ার জন্যই ছিল? প্রভূ,পরকাল,স্বর্গ,নরক যদি সত্যি হয়...তাহলে তোমাকেও হয়তো একদিন পাবো। যে পাওয়াটা হবে চিরকালের জন্য।যাতে থাকবেনা হারানোর ভয়। তোমায় এখনো অনেক ভালবাসি...হ্যাঁ,সত্যিই ভালবাসি তোমায়

image

#একটি মিষ্টি প্রেমের গল্প
একটি ছেলে একটি মেয়ে নেটে তাদের পরিচয়। এই পরিচয় থেকেই ধীরে ধীরে তারা দুজন দুজনার প্রেমে পরে গেল।হঠাৎ একদিন ছেলেটি মেয়েটিকে বলল,,
তারা দেখা করবে তারপর তারা দিন তারিখ ঠিক করলো।
তখন ছেলেটি মেয়েটিকে বলল সে তাকে কিভাবে চিনবে???
উত্তরে মেয়েটি বলল সে সাদা ড্রেস পরে আসবে আর হাতে থাকবে গোলাপ।ছেলেটি বলল ঠিক আছে।

কথা মতো ছেলেটি মেয়েটির সাথে দেখা করতে পার্কে গেল।
অনেক খোঁজার পর দেখলো পার্কের এক কোনে একজন বৃদ্ধ মহিলা সাদা ড্রেস আর লাল গোলাপ হাতে বসে আছে, ছেলেটি কিছু চিন্তা না করে সোজা এই বৃদ্ধা মহিলাকে বলল,আই লাভ ইউ।তখন মহিলাটি বলল তুমি যাকে খোজছো সে তো এই গাছের আড়ালে।
মেয়েটি তখন বেড়িয়ে এসে বলল, আমি যদি সত্যি এই মহিলার মতো হতাম তাহলে তুমি আমাকে ভালোবাসতে..???

তখন ছেলেটি বলল আমি তোমাকে ভালোবাসি, তোমার শরীরকে নয়, আমি তোমার মনটা চাই,তোমার রূপ নয়, তখন মেয়েটি অশ্রু সিক্ত চোখে বলল..আই লাভ ইউ টু.....
এটাই হল সত্তিকারের ভালোবাসা।

image

#গল্প টা খুব ছোট
😊😊😊😊

একটি ছেলে আর মেয়ে মটর বাইকে
যাচ্ছে,
মটর বাইকের স্পিড প্রায় 110 Mph
এমন সময় মেয়েটা বলে উঠলো
জান আস্তে চালাও, ভয়
লাগছে কিন্তু..

কতক্ষন ধরে বলছি, প্লিজ স্পিড কমাও না আমার খুব ভয় লাগছে প্লিজ স্পিড টা কমাও

ছেলে : তাহলে I Love You বলো।
মেয়ে : I Hate You,
ছেলে : হয় নাই, বল I Love You
মেয়ে : আচ্ছা I Love You.....
এবার স্পিডটা কমাও।
ছেলে : এবার আমাকে জড়িয়ে ধর…
মেয়ে : পারবো না,
ছেলে : তাহলে স্পিডও কমাবো না।
মেয়ে ছেলেটাকে জড়িয়ে ধরল এবং
বলল
"আচ্ছা ধরলাম, এবার স্পিডটা কমাও"।
ছেলে : হেলমেটটা খুব বিরক্ত করছে
হেলমেটটা
খোল তো। মেয়েটা ছেলেটার
হেলমেট খোলে
হাতে ধরে রাখল।
ছেলে : ওটা ধরে রেখেছ কেন? ওটা
পড়।
মেয়ে হেলমেটটা পড়ল এবং একটু পর
তাদের
Accident (দুর্ঘটনা) হল।
মেয়েটা অজ্ঞান হয়ে পড়ল।
তারপর যখন মেয়েটার জ্ঞান ফিরল তখন
জানতে পারল ছেলেটা মারা গেছে
এবং তাদের এই
দুর্ঘটনার কারন, বাইকের ব্রেক ফেইল
হয়েছিল।
তখন মেয়েটা বুঝতে পারল, ছেলেটা
অনেক আগেই
বুঝতে পেরেছিল যে বাইকের ব্রেক
ফেইল হয়েছে।
তাই নিজের হেলমেটটা তাকে
পড়িয়ে নিজের জীবনের
বিনিময়ে তার জীবন বাঁচিয়েছে.....
.
.
এইটাই ছেলেদের ভালোবাসা

যেটা সব মেয়েরা কখনো বুজবে নাহ...............❤❤
যদি আপনাদের গল্পটা ভালো লাগে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন,,,

image

#২ মিনিট লাগবে ছোট একটি গল্প আসা করি ভালো লাগবে

সম্পূর্ণ গল্প

নিঃসার্থ ভালোবাসা

একটি ছেলে খুবই সাদাসিদে ছিল।

সে একটি দোকানে চাকুরি করতো

ছেলেটির বেতন ছিল মাত্র পাচহাজার টাকা।

ছেলেটির দোকানের সামনে দিয়ে প্রতিদিন একটি মেয়ে

স্কুলে যেত। মেয়েটি ছিল পর্দাশীল। যদিও তার মুখটি

প্রায়ই খোলা থাকতো। একদিন হঠাৎ ছেলেটির নজর পড়লো মেয়েটির দিকে।এভাবে বেশ কদিন যাবার পর

একদিন মেয়েটি বুঝতে পারলো ছেলেটি তাকে লক্ষ করে । মেয়েটিও বাকা চোখে

ছেলেটিকে দেখতে শুরু করলো। ছেলেটি মেয়েটির চলাফেরা দেখে মুগ্ধ হয়ে আফসোস করতে লাগলো । ইস যদি আমিও আজ পড়াশুনা করতে পারতাম। তাহলে সাহস করে মেয়েটির সাথে কথা বলতে পারতাম । মেয়েটিও বুঝতে পারলো ছেলেটি তাকে বিষন পছন্দ করে । তাই একদিন মেয়েটি ছেলেটির দোকানের পাশে দাড়িয়ে রইলো। তখন দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য ছেলেটি বাহির হলো ।

সে একটি চায়ের দোকানে গিয়ে পাচ টাকার একটি রুটি খেয়ে পানি পান করে আসতে লাগলো। তখন মেয়েটি তার কাছে গেলো। বললো তুমি ভাত খেলেনা। রুটি দিয়ে

কি পেট ভরবে । তখন ছেলেটি মেয়েটিকে দেখে অবাক হয়ে গেলো। ছেলেটি বললো আমি ভাত খেলে আমার মা,আর ছোট বোনকে কি খাওয়াবো । মেয়েটি শিক্ষিত তাই অল্পতেই বুঝে গেলো। সে ছেলেটির হাত ধরে বলতে লাগলো তাহলে তুমি যে আমাকে পছন্দ করো।তাহলে আমাকে কি খাওয়াবে । তখন ছেলেটি বললো আমিতো তোমাকে আপন করে পাওয়ার জন্য দেখিনা । কারন সে যোগ্যতা আমার নেই । তবে এটা সত্য যে তোমায় দেখলে আমার খুব ভালো লাগে। তাই দেখি ।মেয়েটি ছেলেটির কথা শুনে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলোনা ।সে বুঝে গেলো ছিলেটির চরিত্র, এমনকি ভাবনাও সুন্দর।

সেদিন মেয়েটি চলে গেলো। বাসায় গিয়ে রাত্রিবেলা মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরেরদিন তাকে ডাক্তার দেখানো হলো।বলা হলো তার দুটো কিডনিই নশ্ট।

তখন মেয়ের বাবা ফোন করে তার বন্ধুর ছেলেকে।

যার সাথে মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য সে পাগল।

কিন্তুু মেয়েটি বাবার পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করতে রাজি নয়।

কারন ছেলেটির টাকা থাকলে কি হবে তার চরিত্র খারাপ। সে ছিল নারী লোভী । এদিকে মেয়েটির কোন লোভ ছিলনা। যাহোক হবু জামাই আসার পর তাকে সব বলা হলো। এখন কোথাও কিডনিও মিলছেনা। তখন মেয়ের বাবা তাকে বললো তোমার থেকে একটা কিডনি আমার মেয়েটিকে দাও । তুমিতো বলেছো আমার মেয়েকে তুমি অনেক ভালবাসো । তাকে পেলে তুমি ভাল হয়ে যাবে। তাহলে আজ পরিক্ষা দাও।তখন ছেলেটি বললো, আমি আপনার রোগা মেয়েকে বিয়ে করবো কেন

। আমার কি সুস্থ মেয়ের অভাব নাকি । এ বলে সে চলে গেলো। বাবা তখন কেদেঁ কেদেঁ মেয়ের কাছে গিয়ে সব খুলে বললো। মেয়ে বলে বাবা তুমি কেদঁনা । একটা পথ এখনও আছে।তুমি এক কাজ করো। আমাদের সামনের মোড়ে একটা বড় গ্যারেজ আছেনা। তুমি সেখানে যাও।যেয়ে তাইয়্যেব নামে একটা ছেলে আছে

তাকে নিয়ে আসো। আমার কথা বলো । তখন বাবা ছেলেটিকে নিয়ে আসলো। মেয়েটিকে দেখে ছেলেটির চোখ বেয়ে পানি পড়তে লাগলো।কারন মেয়ের বাবা তাকে সব খুলে বলেছে। তখন ছেলেটিকে মেয়েটি বললো। তুমি আমাকে একটা কিডনি দিবে? ছেলেটি বললো কিডনি দেবার জন্যই আমি এসেছি। মেয়েটি তাকে বললো তুমি কি চাও । ছেলেটি বললো তুমি সুস্থ হয়ে আমার দোকানের সামনে দিয়ে স্কুলে যাবে। আর আমি শুধু তোমাকে দুর থেকে তাকিয়ে দেখবো।

এই অনুমতি টুকুই চাই । এ কথা শুনে মেয়ে,এবং বাবা দুজনই চোখের পানি ধরে রাখতে পারলোনা । অবশেষে মেয়েটি বিছানা থেকে উঠে ছেলেটির দু পায়ে জরিয়ে ধরে বললো। এ জীবনে তোমার থেকে আমাকে একমাত্র মৃত্যুই আলাদা করতে পারবে। আর কেহ পারবেনা।

তারপর মেয়েটি বললো আমার কোন কিডনি নষ্ট হয়নি।

এ সব ছিল আমার সাজানো নাটক। আমি যা ভেবেছিলাম তাই হয়েছে।

তোমাকে দেখেই বুঝেছিলাম একমাত্র তুমি আমার যোগ্য।

_বিঃদ্রঃ- এই পোষ্টটি কেমন লেগেছে ?

কমেন্ট করতে ভুলবেন না।

আপনার যদি লিখতে কষ্ট হয়,

তাহলে সংক্ষেপে লিখুন -

T=(thanks)

G= (good)

B=(bad)

S=(super)

N=(nice)

O=(osthisr)

লিখে কমেন্ট করবেন।

তাহলে পরে আরও ভাল

পোষ্ট নিয়ে আসব।

image