★হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা★
আমা‌দের র‌য়ে‌ছে উন্নত চিকিৎসা এবং ভেজালমুক্ত ঔষধ। আপনারা যে কোনো পুরান বা জটিল রোগের চিকিৎসা নিতে পারবেন, ফো‌নে রোগের বিবরন জানা‌লে কু‌রিয়ার সা‌র্ভি‌সের মাধ্য‌মে ঔষধ পাঠা‌নো হবে।
যোগাযোগঃ 01828956473

শিশুদের নিউমোনিয়াঃ

শিশুদের নিউমোনিয়া থেকে প্রতিকারঃ
==========================

মানব দেহের একটি অত্যাবশকীয় অঙ্গ হচ্ছে ফুসফুস। আমরা বেঁচে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত শ্বাস প্রশ্বাস নিচ্ছি এই ফুসফুসের সাহায্যে। আর ফুসফুসে যখন প্রদাহের সৃষ্টি হয় তখন তাকে বলা হয় নিউমোনিয়া। নিউমোনিয়া প্রধানত: শিশুদের একটি শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ। এটি একটি মারাত্মক ব্যাধি।

যে শ্বাসতন্ত্রের দ্বারা শ্বাস প্রশ্বাস কার্য পরিচালিত হয় তা প্রধানত: নাক থেকে ফুসফুস পর্যন্ত পরিব্যপ্ত। শ্বাস যন্ত্রের ইনফেকশনকে বলা হয় এ্যাকুডট রেসপারেটরী ইনপেকশন বা (এ.আর.আই)। শ্বাসতন্ত্রে যদি ইনফেকশন হয় তবে আতঙ্কিত হবার কোন কারণ নেই। কারণ শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন নিউমোনিয়া নয়। নিউমোনিয়ার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ফুসফুসে প্রদাহ হয়ে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হয়।

নিউমোনিয়ার উপসর্গসমূহঃ
************************

১. দুই মাসের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে-

সর্দি এবং কাশির সাথে প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট। এ বয়সী শিশুরা যদি মিনিটে ৬০ বা তার চেয়ে বেশি বার শ্বাস নেয় তবে বুঝতে হবে শিশুটি জটিল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। যা কিনা শিশুটির জন্য খুবই মারাত্মক। বুকের ভিতর বাঁশির মত সাঁই সাঁই আওয়াজ হওয়া।

i. গলার স্বরের পরিবর্তন হওয়া।

ii. ঘুমের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া।

iii. খাদ্যে অনিহা।

iv. শরীর ম্যাজম্যাজ করা, কখনও খিঁচুনি হওয়া।

v. মাঝে মাঝে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া, আবার কখনও তামপাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়া।

vi. দ্রুত শ্বাস নেবার সময় বুকের নীচের অংশ ভিতরে বসে যাওয়াৃ।

২. দুই মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে।

i. সর্দি কাশির প্রকোপতা বৃদ্ধি পাওয়া।

ii. শ্বাস কষ্টের পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া অথাৎ ২ মাস থেকে ১ বছর বয়সী শিশুরা প্রতি মিনিটে ৫০ বা তার বেশি বার এবং ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুরা প্রতি মিনিটে ৪০ বা তার বেশি বার শ্বাস নিতে থাকলে,

iii. খিঁচুনির সৃষ্টি হওয়া।

iv. গলার স্বর পরিবর্তন হওয়া।

v. অস্বাভাবিক ঘুমের প্রবণতা।

vi. খাবারে অনিহা এবং পানি পর্যন্ত না খাওয়া।

vii. অপুষ্টি জনিত সমস্যায় ভোগা।



নিউমোনিয়ার প্রতিকারমূলক ব্যবস্থাঃ
********************************

শিশুদের শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ বা ইনফেকশন যদিও নিউমোনিয়া নয়, তবুও এ ব্যাপারে বাচ্চার পিতা মাতাকে সচেতন থাকতে হবে। এ.আর.আইটি হলে শিশুকে উজ্ঞ রাখতে হবে, নাক সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে, বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করা যাবে না। আদার রস, মধু, তুলসী পাতা, লেবুর রস ইত্যাদি খাওয়াতে হবে। আর শিশুর অবস্থা যদি জটিল হয় তাহলে শিশুকে ‌হো‌মিও ডাক্তারের নিকট নিয়ে যেতে হবে।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ হো‌মিও চিকিৎনকগণ সাধারণত: যত্ন সহকা‌রে ঔষধ সেবনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু কোন শিশু যদি মারাত্মক নিউমোনিয়া অর্থাৎ শিশুর শ্বাস নেবার ও ছাড়ার সময় বুকের বা পাজরের নীচের অংশ ভিতরের দিকে বসে যায়, সেক্ষেত্রে এ‌লোপ্যাথ চিকিত্সকগণ রোগীকে এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন প্রয়োগ করে থাকেন।‌কিন্ত হো‌মিও‌তে এর প্র‌য়োজন হয় না।

এ পরিস্থিতে চিকিতৎসকগণ এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন যাতে রোগীকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা যায়। নিউমোনিয়া শিশুদের একটি জটিল রোগ। এই রোগটি প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ করাই উত্তম। একটু সতর্ক থাকলেই এই রোগটি খুব সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। দুই মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের মা-বাবাকে

যে সব বিষয়ে সচেতন থাকতে হবেঃ
*******************************

1. শিশুকে সুস্থ আলো বাতাসপূর্ণ পরিবেশে রাখতে হবে। স্যাঁতস্যাঁতে কিংবা ধোঁয়ামুক্ত পরিবেশ থেকে শিশুকে দূরে রাখতে হবে।

2. শিশুকে সব সময় মায়ের সান্নিধ্যে রাখতে পারলে ভালো হবে।

3. বাচ্চার শরীর যাতে খুব বেশি ঠান্ডা না হয়ে যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

4. যে সকল শিশু মায়ের বুকের দুধ খায় সেসব শিশুর সাধারণত নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হবার ঝুঁকি কম থাকে। সেই শিশুকে নিয়মিত বুকের দুধ পান করাতে হবে।

5. ছয় মাসের পর বুকের দুধের পাশাপাশি অন্য খাবার খাওয়াতে হবে।

★হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা★
আমা‌দের র‌য়ে‌ছে উন্নত চিকিৎসা এবং ভেজালমুক্ত ঔষধ। আপনারা যে কোনো পুরান বা জটিল রোগের চিকিৎসা নিতে পারবেন, ফো‌নে রোগের বিবরন জানা‌লে কু‌রিয়ার সা‌র্ভি‌সের মাধ্য‌মে ঔষধ পাঠা‌নো হবে।
যোগাযোগঃ 01828956473

image

আছসালামু আলাইকুম
শুভ সকাল 💐💕
Good Morning Dear all friends
Have a wonderful day to all 💐💕
আজ শনিবার🌿💕
০৪ জানুয়ারি ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ
০৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী
২০ পৌষ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ💐💕

🌅চট্রগ্রামের সময় অনুযায়ী আজ সূর্যস্ত ৫:২৩ মিনিটে।
🌄চট্রগ্রামের সময় অনুযায়ী আগামীকাল সূর্যোদয়ঃ- ভোর ৬:৩৩ মিনিটে।

সুস্থথাকুন, নিরাপদে থাকুন 💐💕
সুন্দর ওআনন্দময় হোক আপনাদের সারাদিন।🌺💗

image

🌿পেঁপে পাতার আচার্য গুন!
==========================
পেঁপে সারা বিশ্বের জনপ্রিয় একটি ফল। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই, সি এবং বিটা ক্যারোটিন রয়েছে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ পেঁপে হজমের জন্য কার্যকরী একটি ফল। এছাড়া বিভিন্ন রোগ সারাতেও এটি ভূমিকা রাখে।পেঁপের মতো এর পাতাও পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধ। পেঁপে পাতার রস স্বাস্থ্য ও ত্বকের জন্য দারুন উপকারী। এই পাতাতে প্যাপাইন এবং সাইমোপ্যাপাইন নামক এনজাইম থাকে যা হজমশক্তি বাড়াতে ও এই সম্পর্কিত জটিলতা সারাতে কাজ করে। এছাড়া এই পাতার রস টাক পড়া রোধ করে।

পেঁপের পাতায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ,সি, ই, কে এবং বি রয়েছে। এছাড়া ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, সোডিয়াম এবং আয়রণ রয়েছে যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই দরকারী সব উপাদান। পেঁপে পাতার রস খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যাবে-
ডেঙ্গু জ্বর হলে রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁপে পাতার রস এই প্লাটিনেট বাড়াতে ভূমিকা রাখে।ডেঙ্গুর মতো ম্যালেরিয়া জ্বর সারাতেও পেঁপের পাতা বেশ কার্যকরী। এই পাতায় অ্যাসিটোজেনিন নামের এক ধরনের উপাদান থাকে যা ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গুর মতো রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

পেঁপের মতো এর পাতার রসও লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া এই রস লিভারের বিভিন্ন সংক্রমক রোগ, জন্ডিস এবং লিভার সিরোসিসের চিকিৎসায় বেশ কার্যকর।পেঁপে পাতায় থাকা অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান পাকস্থলী ও কোলনের প্রদাহ কমায়। সেই সঙ্গে হজমশক্তি বাড়ায়।প্রাকৃতিক ইনসুলিন থাকায় পেঁপে পাতা রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। এ কারণে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। এছাড়া এটি ফ্যাটি লিভার ও কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া প্রতিরোধ করে।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁপে পাতায় এথনোফার্মাকোলজি নামক এনজাইম থাকায় এটি লিভার, ফুসফুস, স্তন ক্যান্সারের মতো রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।ভিটামিন এ, সি থাকায় পেঁপে পাতার রস ত্বকের তারুণ্য বাড়ায়। এটি চুলের জন্যও বেশ কার্যকরী। চুলের যত্নে প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে পেঁপে পাতার রস।
আলাদা করে বলতে গেলে

পেঁপের পাতার রসের গুন:
========================
পেঁপে ফলটি তার নানাবিধ স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য সুপরিচিত। কিন্তু পেঁপে পাতার কথা খুব কমই আলোচিত হয়েছে।
পেঁপে পাতার নানাবিধ ভেষজ ও ঔষধি গুণাবলী আছে। এ কারণেই ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের সময় পেঁপে পাতার চাহিদা অনেক বেড়ে গিয়েছিলো। পেঁপে পাতা শুধু ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতেই সাহায্য করেনা বরং এর আছে আরো অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। পেঁপে পাতা বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো সম্পর্কে জেনে নিই চলুন।

১। রক্তের প্লেটলেটের সংখ্যা বৃদ্ধি করেঃ-
অনেক অ্যানিমেল স্টাডিজ নিশ্চিত করেছে যে, পেঁপে পাতার রস প্লেটলেট ও লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং রক্ত সংবহনের উন্নতি ঘটায়। গবেষণায় এটাও নিশ্চিত করে বলা হয়েছে যে, পেঁপে পাতার রস মানুষের ক্ষেত্রেও সমান প্রভাব ফেলে। ডেঙ্গুজ্বর নিরাময়ে পেঁপে পাতার নির্যাস ব্যবহার করার এটি একটি কারণ যেখানে রক্তের প্লেটলেটের সংখ্যা কমতে থাকে।

২। ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করেঃ-
বিশ্বাস করা হয় যে, পেঁপে পাতার রসে টিউমাররোধী উপাদান আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং বিভিন্ন ধরণের অ্যালার্জির সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। অ্যাথনোফার্মাকোলজি জার্নালের গবেষণা প্রতিবেদনে জানা যায় যে, পেঁপে পাতার রসে নির্দিষ্ট কিছু এনজাইম থাকে যা ব্রেস্ট ক্যান্সার, সারভিক্স ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, লাং ক্যান্সার ও প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারে।
৩। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়ঃ-
পেঁপে পাতার রসে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উদ্দীপিত করে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে সাহায্য করে এবং শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন- কিডনি, লিভার এবং পাকস্থলীর প্রাচীরের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।
৪। কোষ্ঠকাঠিন্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করেঃ-
কাঁচা ও পাকা উভয় ধরণের পেঁপেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে এবং অন্ত্রের বর্জ্য উপাদানের নিষ্কাশনে সাহায্য করে।
৫। প্রোস্টেটের সমস্যা নিরাময় করতে পারেঃ-
পেঁপে পাতার রসে ক্যান্সার বিরোধী উপাদান থাকে। এছাড়াও এটি প্রোস্টেট বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যার সমাধান করতে পারে এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের সূত্রপাত রোধে সাহায্য করে।

image

বাত রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।
============================
বাত হচ্ছে চালনক্রিয়া বা লোকেমোশন সম্বন্ধীয় রোগ। পুষ্টির অভাব জনিত কারণে রোগের সৃষ্টি। জ্বর বা দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধিসহ সন্ধি মধ্যস্থ শ্বেতবর্ণ তন্তময় ঝিল্লী আক্রমণকে বাত বলে।

বাত রোগের কারণ :
==================
পরিপেষণ ক্রিয়ায় বিকৃতি বশত: রক্ত দূষণ প্রভৃতি কারণ। ইহাতে সন্ধি ও গ্রন্থি আক্রান্ত হয়। তৎসহ উহাদের স্ফীতি, প্রদাহ, বেদনা, উত্তপ্ততা, রক্তিমতা, আরষ্টভাব, অবশতা এবং দৈহিক তাপবৃদ্ধি। ইহা নানা প্রকারে প্রকাশ পায় এবং আক্রান্ত স্থান ও লক্ষণ ভেদে বিভিন্ন নামে অভিহিত।

বাতের প্রকার :
===============
বিভিন্ন নামে এই রোগটি পরিচিতি। শরীরের বৃহৎ সন্ধি আক্রমণ হলে ইহাকে বৃহৎ সন্ধিবাত (Articular Rheumatism) বলে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সন্ধি আক্রান্ত হলে ক্ষুদ্র সন্ধিবাত বা গেটেঁ বাত (Gout) বলে। সন্ধিস্থান আক্রান্ত হলে কেবল পেশী ও তার আবরণ আক্রান্ত হলে তাকে পেশী বাত (Muscular Rheumatism) বলে। এই সব পীড়া তরুন এবং পুরাতন উভয় আকারেই প্রকাশ পেতে পারে। সাধারণত রক্ত দূষণ, পারদ বা উপদংশ বা প্রমেহ দোষ, মূত্রে ইউরিক এসিড জমা, ঠান্ডা, আদ্র, স্যাঁত সেঁতে পরিবেশে বসবাস, ঘর্মবন্ধ, বংশগত দোষ, আবার অনেকে জীবাণু সংক্রামণ বলেও মনে করেন।

বাতের লক্ষণাবলী :
===================
👉 রোগটি ধীরে ধীরে আসে তবে অনেক সময় প্রচন্ডভাব প্রকাশ করে।
👉 প্রাথমিক অবস্থায় ক্লান্তি, দূর্বল, রোগভাব, ওজন কমা হাতের এবং পায়ের তালু ঘামে, সকাল বেলা সন্ধি সমূহে বেদনা।
👉 দৈনিক উত্তাপ বৃদ্ধি স্কন্ধ, জানু, হাতে পায়ের গাঁট অসহ্য ব্যাথা, সন্ধিস্থল নড়াতে চড়াতে পারে না।
👉 আক্রান্ত সন্ধিগুলো স্ফীত, লাল, বেদানময়। ঘাম খুব বেশী এবং তাতে অম্ল গন্ধ।
👉 মূত্র লালবর্ণ, পরিমানে কম, প্রবল পিপাসা, পরিপাক ক্রিয়ায় গোলযোগ এবং কিডনীর রোগ।👉 রক্ত হতে ইউরিক এসিড নির্গত হতে না পারায় হৃদযন্ত্র ও ধমনীর ক্রিয়ার ব্যাঘাত উপসর্গ হিসেবে হৃদযন্ত্রের পীড়া, ফুসফুসের পীড়া, ম্যানিনজাইটিস, চোখের প্রদাহ। রক্ত নেট্রাম ফসের অভাবহেতু শরীরে ল্যাকটিক এসিড বৃদ্ধি পায়।

★হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা★
আমা‌দের র‌য়ে‌ছে উন্নত চিকিৎসা এবং ভেজালমুক্ত ঔষধ। আপনারা যে কোনো পুরান বা জটিল রোগের চিকিৎসা নিতে পারবেন, ফো‌নে রোগের বিবরন জানা‌লে কু‌রিয়ার সা‌র্ভি‌সের মাধ্য‌মে ঔষধ পাঠা‌নো হবে।
যোগাযোগঃ 01828956473

image

মায়ের বুকের দুধ কম হওয়ার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ঃ

বর্তমানে বাংলাদেশে হিউম্যান মিল্ক ব্যাংক নামে একটি ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে যাতে মায়ের দুধ সংরক্ষণ করে অন্যত্র দেওয়া হয় যা ইসলামিক দৃষ্টিতে হারাম
অন্যদিকে স্তনের দুধের অভাবের কারণে অনেক পরিবারকে অনেক টাকা খরচ করে কৃত্রিম দুধের উপর বাচ্চাদের লালন পালন করতে হয।এই টাকার যোগান দিতে পরিবারকে হিমশিম খেতে হয়।আবার অনেক ক্ষেত্রে শিশু মৃত্যু বা যে কোন কারনে শিশুকে রেখে মাকে অন্যত্র চলে যেতে হয় এই সমস্যাগুলির সহজ সমাধান দিতে পারে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

★হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা★
আমা‌দের র‌য়ে‌ছে উন্নত চিকিৎসা এবং ভেজালমুক্ত ঔষধ। আপনারা যে কোনো পুরান বা জটিল রোগের চিকিৎসা নিতে পারবেন, ফো‌নে রোগের বিবরন জানা‌লে কু‌রিয়ার সা‌র্ভি‌সের মাধ্য‌মে ঔষধ পাঠা‌নো হবে।
যোগাযোগঃ 01828956473

image
About

Homoeopathi Is Best Treatment